মাহে রমজানে যা যা করবো –
- প্রতিদিন রোজা রাখবো।
- প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ পড়বো এবং নিয়মিত তারাবিহের নামাজ পড়বো।
- যথাসময়ে নিজে ইফতার করবো ও সামর্থ্য অনুযায়ী অন্যদের ইফতার করাবো।
- বেশি বেশি কুরআনে কারীম তেলাওয়াত করবো। না পারলে শিখে নিবো।
- বেশি বেশি দোয়া করবো। বিশেষ করে ইফতারের সময় ও শেষ রাতে।
- চারটি আমল খুব বেশি বেশি করবো। ১. লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু বেশি বেশি পড়বো। ২. আস্তাগফিরুল্লাহ বেশি বেশি পড়বো। ৩. বেশি বেশি জান্নাত কামনা করবো। ৪. এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি চাইবো।
- শেষ দশকে ই’তেকাফ করবো।
- শবে কদরের সন্ধানে শেষ দশকের বেজোড় রাত্রিগুলোতে জাগ্রত থেকে বিভিন্ন ইবাদত করবো।
- বেশি বেশি দান সদকা করবো।
- অত্যন্ত ধৈর্য ও সংযমতা অবলম্বন করবো।
- হালাল ও পবিত্র খাদ্য খাব।
- সকল প্রকার গুনাহ থেকে বিরত থাকবো।
আশা করি, এই আমল গুলোর মাধ্যমে আমরা যদি মাহে রমজানকে অতিবাহিত করতে পারি, তাহলে আমরা সৌভাগ্যবানদের অন্তর্ভুক্ত হতে পারবো ইনশাআল্লাহ।
মাহে রমজানের যা যা করবো না –
- অনর্থক ও অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা বলবো না।
- মিথ্যা কথা বলবো না।
- কাউকে গালি দেবো না।
- কারো সাথে ঝগড়া ও মারামারি করবো না।
- কারো দোষ বা সমালোচনা করব না এবং শুনবো না।
- গান-বাজনা শোনা, টিভি সিনেমা দেখা, অবৈধ খেলাধুলা, রোজা না রেখে প্রকাশ্যে আহার করা বা ধূমপান করা ইত্যাদি কোন কিছুই করবো না।
- চায়ের স্টল, ভাতের হোটেল, ফাস্টফুড ইত্যাদি কোন কিছুই দিনের বেলা খোলা রাখবো না।
মনে রাখবেন, যারা এ সকল অপবিত্র কাজ করবে, তারা মাহে রমজানের পবিত্রতা বিনষ্টকারী হিসেবে সাব্যস্ত হবে। রোজা রেখে সারাদিন উপোস কাটানো ছাড়া তাদের আর কিছুই হাসিল হবে না। সর্বোপরি তারা হবে দুর্ভাগাদের অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ আমাদের সবাইকে অকল্যাণ থেকে সরে আসার এবং কল্যাণের দিকে অগ্রসর হওয়ার তৌফিক দান করুন। আমীন!