তড়িৎ – পদার্থবিজ্ঞান – এস এস সি | নোট ০১

চার্জ কী?

পদার্থ সৃষ্টিকারী মৌলিক কণাসমূহের ($$ e^{-}, p^{+} $$) মৌলিক ও বৈশিষ্টমূলক ধর্মকে আধান বা চার্জ বলে। অর্থাৎ ইলেক্ট্রন ($$ e^{-} $$) ও প্রোটনের ($$ p^{+} $$) মৌলিক ও বৈশিষ্টমূলক ধর্মকে আধান বা চার্জ বলে।

চার্জ কত প্রকার?

চার্জ দুই প্রকার। ১. ধনাত্মক ($$ {+} $$) ২. ঋনাত্মক ($$ {-} $$)।

ধনাত্বক চার্জ কী?

পদার্থের মৌলিক কণিকা প্রোটনের ($$ p^{+} $$), মৌলিক ও বৈশিষ্টমূলক ধর্মকে ধনাত্মক আধান বা পজেটিভ ($$ {+} $$) চার্জ বলে।

ঋনাত্বক চার্জ কী?

পদার্থের মৌলিক কণিকা ইলেক্ট্রনের ($$ e^{-} $$), মৌলিক ও বৈশিষ্টমূলক ধর্মকে ঋনাত্মক আধান বা নেগেটিভ ($$ {-} $$) চার্জ বলে।

চার্জের একক কী?

চার্জের একক কুলম্ব (C)। একটি ইলেক্ট্রনের চার্জ $$ {-} 1.6 \times 10^{-19} \mathrm{C} $$। এবং একটি প্রোটনের চার্জ $$ {+} 1.6 \times 10^{-19} \mathrm{C} $$।

1C চার্জ সমান কতটি ইলেক্ট্রন বা প্রোটন?

$$ 1.6 \times 10^{-19} \mathrm{C} $$ চার্জ থাকে 1 টি ইলেক্ট্রন বা প্রোটনে।
অতএব $$ 1 \mathrm{C} $$ চার্জ থাকে $$ \frac{1}{1.6 \times 10^{-19}} $$ = $$ 6.25 \times 10^{18} $$ টি ইলেক্ট্রনে বা প্রোটনে।

দুটি চার্জের মধ্যকার আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বলের মান নির্ণয়ের ‍সূত্র-

দুটি চার্জের মধ্যকার আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বলের মান নির্ণয়ের সূত্রটিকে কুলম্বের সূত্র বলে। বিজ্ঞানী কুলম্ব এ সূত্রটি প্রদান করেন।

সূত্রঃ দুটি চার্জের মধ্যকার আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বলের মান আধান দ্বয়ের মানের গুনফলের সমানুপাতিক এবং আধানদ্বয়ের মধ্যকার ‍দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক। এবং এই বল আধান দ্বয়ের সংযোগ রেখা বরাবর ক্রিয়া করে।

$$ F \propto \frac{q_1 q_2}{r^2} $$
অর্থাৎ $$ F = k \frac{q_1 q_2}{r^2} $$ এখানে k কে সমানুপাতিক ধ্রুবক বলা হয়।

আপেক্ষিক রোধ কাকে বলে?

কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় একক দৈর্ঘ্যের এবং একক প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলবিশিষ্ট পরিবাহকের রোধকে আপেক্ষিক রোধ বলে।

গতিয় ঘর্ষণ গুণাঙ্ক

বৈদ্যুতিক আবেশ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।