বৃক্ষরোপণ সদকা স্বরূপ ব্যাখ্যা কর।
বৃক্ষরোপণ সদকা স্বরূপ উক্তিটি সম্পূর্ণ সঠিক। কারণ রাসূলুল্লাহ (স.)বলেছেন “কোন মুসলমান যদি বৃক্ষরোপণ করে, কিংবা কোন ফসল আবাদ করে এরপর তা থেকে কোন পাখি, মানুষ বা চতুষ্পদ জন্তু কিছু খায় তবে তা তার জন্য সদকা হিসেবে গন্য হবে। “(বুখারি ও মুসলিম)
হালাল হারাম বলতে কি বোঝায়? বর্ণনা কর।
হালাল হলো বৈধ, সিদ্ধ, অনুমোদিত বিষয়। ইসলামী পরিভাষায় যেসব বিষয় কুরআন – হাদিস দ্বারা পরিষ্কারভাবে প্রমাণিত শরীয়তে তাকে হালাল বলা হয়। হারাম হল হালালের বিপরীত। হারাম অর্থ নিষিদ্ধ, মন্দ, অপবিত্র ইত্যাদি। ইসলামি পরিভাষায় যেসব কাজ বা বস্তু কোরআন ও সুন্নাহর স্পষ্ট নির্দেশে অবশ্য পরিত্যেজ্য, বর্জনীয় তাকে হারাম বলা হয়।
সূরা আল ইনশিরাহ কেন নাজিল হয়? বুঝিয়ে লেখ।
মহানবী হযরত মোহাম্মদ (স.) নবুয়ত লাভের পূর্বেও মক্কা নগরীর অত্যন্ত সম্মানিত মানুষ ছিলেন। কিন্তু নবুয়ত লাভের পর রাসূলুল্লাহ (স.) ইসলামের দাওয়াত দিতে থাকলে মক্কা বাসীরা ঠাট্টা – বিদ্রুপ, উপহাস করে তার বিরোধিতা শুরু করে। কাফেরদের এরূপ ঠাট্টা বিদ্রুপ ও অন্যায় অত্যাচার রাসূলুল্লাহ (স.) উদ্বিগ্ন ও হতাশা হয়ে পড়লে আল্লাহ তায়ালা রাসুল (স.)কে সান্তনা প্রধান করে এ সূরা নাজিল করেন।
শরীয়তের চতুর্থ উৎসটির প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ কর।
শরীয়তের চতুর্থ স্তম্ভ হল কিয়াস। কিয়াসের প্রয়োজনীয়তা অত্যধিক। যে সমস্যার সমাধান কুরআন, হাদিস ও ইজমাতে নেই, সেই সমস্যা সমাধানে মুজতাহিদগণ নিজেদের বিচার বুদ্ধির আলোকে কুরআন, হাদিস ও ইজমার ভিত্তিতে যে সিদ্ধান্ত প্রদান করেন তাই হল কিয়াস। কিয়াসের পদ্ধতি না থাকলে নতুন সমস্যা সমাধানের পথ রুদ্ধ হতো এবং ইসলামী শরীয়ত একটি সীমিত গণ্ডিতে আবদ্ধ হত।
‘আমি এই কিতাবে কোন কিছুই বাদ দিইনি ‘-আয়াতটি বুঝিয়ে লেখ ।
‘আমি এই কিতাবে কোন কিছুই বাদ দিইনি ‘-আয়াতটি স্বয়ং আল্লাহ তায়ালার। এই কিতাব দ্বারা মহাগ্রন্থ আল কুরআনকে বোঝানো হয়েছে। আল কোরআন সর্বশ্রেষ্ঠ ও সবচেয়ে মর্যাদাবান। দুনিয়ার সকল গ্রন্থ এমনকি অন্যান্য আসমানী কিতাব তুলনাই স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যমন্ডিত। এর সমতুল্য আর কোন কিতাব নেই। আল কুরআন পরিপূর্ণ ও পূর্ণাঙ্গ কিতাব। এই গ্রন্থ সকল জ্ঞান বিজ্ঞানের আঁধার। সব বিষয়ের মূলনীতি এই গ্রন্থে বিদ্যমান।
‘শরীয়ত হলো পরিচালনা দিকনির্দেশনা ‘কথাটি ব্যাখ্যা কর -।
মানুষকে সার্বিক জীবনাচরণে শরীয়তের ভূমিকা অতীব গুরুত্বপূর্ণ। কেননা শরীয়ত আমাদের ইবাদতের পদ্ধতি ও নিয়মকানুন শিক্ষা দেয়। সালাত,যাকাত,সাওম,হজ ইত্যাদি কিভাবে, কোথায়, কোন সময়ে আদায় করতে হয় তাও শরীয়তের বর্ণনার মাধ্যমে আমরা জানতে পারি। আত্মিক পরিশুদ্ধি অর্জনের উপায় পারিবারিক সামাজিক সম্প্রীতি ইত্যাদি শরীয়তের আওতাভুক্ত।
হাদিস কিভাবে সংরক্ষিত হয়?
রাসূলুল্লাহ (স.)-এর বানী,কর্ম ও মৌনসম্মতিকে সাধারণভাবে হাদিস বলা হয়।সাহাবিগন মহানবি (স.)-এর বানীসমূহ মুখস্থ রাখতেন। রাসূলুল্লাহ (স.) কোন সময় কি কাজ করতেন তা খেয়াল রাখতেন। তারা রাসূল (স.)এর কথা শুনতেন। তা মনে রাখতেন এবং তা হুবহু বন্ধুবান্ধব, পরিবার -পরিজন,আত্মীয় স্বজনের নিকট পৌঁছে দিতেন। আরবদের স্মৃতিশক্তি ছিল অসাধারণ। তারা একবার যা স্মৃতিতে ধারণ করতেন কখনোই তা ভুলতেন না। ফলে রাসুলুল্লাহ (স.)-এর প্রতিটি বাণী ও কাজ সাহাবীগণের স্মৃতিতে সংরক্ষিত হত। রাসূলুল্লাহ নিজে তাদের হাদিস মুখস্ত করার জন্য উৎসাহিত করতেন। এভাবে রাসূলুল্লাহ (স.)-এর জীবদ্দশাতেই হাদিস সংরক্ষণ শুরু হয়।
মানবিক মূল্যবোধ বলতে কি বুঝ?
মানবিক বলতে মানব সম্বন্ধনীয় বুঝায়। আর মূল্যবোধ বৈশিষ্ট্য গুণাবলী কে বুঝায়। যেসব বিষয় একমাত্র মানুষের বৈশিষ্ট্য ও গুণাবলী হওয়ার যোগ্য তাই হলো মানবিক মূল্যবোধ। অন্যভাবে বলা যায়, যেসব কর্মকাণ্ড, চিন্তা চেতনা মানুষ ও মানব সভ্যতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ তাকেই মানবিক মূল্যবোধ বলা হয়।
শরীয়তের উৎস সমূহ কি কি?
শরীয়তের উৎস মোট চারটি। যথা,১.কুরআন, ২.হাদিস,৩.ইজমা ও ৪.কিয়াস। কুরআন হলো আসমানী সর্বশেষ কিতাব, হাদিস হল রাসূল( স.) ও সাহাবীদের কথা, কাজ ও মৌনসম্মতি। ইজমা হলো সাহাবী ও মুজতাহিদের ঐকমত্যের ভিত্তিতে গৃহীত সিদ্ধান্ত এবং কিয়াস হল পবিত্র কুরআন, হাদিস ও ইজমাতে নেই এমন বিষয়ে মুজতাহিদদের প্রদত্ত সিদ্ধান্ত।
ঈমানের সর্বশেষ মূল বিষয়টি বর্ণনা কর।
ঈমানের সর্বশেষ মূল বিষয়টি হল মৃত্যুর পর পুনরুত্থানে বিশ্বাস, মৃত্যুর সাথে সাথে মানব জীবন শেষ নয়। বরং আল্লাহ তায়ালা মানুষকে মৃত্যুর পর আবার জীবিত করবেন। সে সময় সকল মানুষকে হাশরের ময়দানে কৃতকর্মের হিসাব দিতে হবে। আল্লাহ তায়ালা সেদিন বিচারক হিসেবে মানুষের সকল কাজের হিসাব নিবেন এবং ভালো কাজের জন্য পুরস্কার ও মন্দ কাজের জন্য শাস্তি প্রদান করবেন। এ বিশ্বাস স্থাপন করা প্রতিটি মুমিনের অনস্বীকার্য।
নিফাক মারাত্মক পাপ কেন?
নিফাক মানুষের চরিত্র ও নৈতিকতা ধ্বংস করে দেয়। এর ফলে মানুষ মিথ্যাচারের মতো ঘৃণ্য কাজে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে। মিথ্যার পাশাপাশি মুনাফিকরা অন্যান্য খারাপ ও অনৈতিক কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়ে। পার্থিব লোভ লালসার মোহে তারা অন্ধ হয়ে যায়। ফলে যেকোনো ধরনের অন্যায় করতে তারা দ্বিধা বোধ করে না। এজন্য বলা হয় নিফাক মারাত্মক পাপ।
‘ফরজ ‘ও ‘ওয়াজিব’এর মধ্যকার পার্থক্য নিরূপণ কর।
ফরজ ও ওয়াজিবের মধ্যকার অন্যতম পার্থক্য হল ফরজ অস্বীকার করলে মানুষ কাফের হয়ে যায় আর ওয়াজিব অস্বীকার করলে কাফের হয় না। তবে কঠিন পাপ হয় ও আখিরাতে শাস্তি পাবে।
আল কুরআন কিভাবে তিলাওয়াত করা উচিত?
আল কুরআন ধীরস্থির ভাবে তাজবীদ সহকারে সুন্দর করে পাঠ করা উচিত। কারণ ভুল ভাবে কোরআন তেলাওয়াত করলে পুণ্য করার পরিবর্তে পাপ হবে। তাই কুরআন তেলাওয়াত করার সময় তাজবীদ অনুযায়ী তেলাওয়াত করতে হবে।
‘আমি মানুষকে সুন্দরতম আকৃতিতে সৃষ্টি করেছি ‘-বুঝিয়ে লেখ।
মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা সূরা আত্ -তীনের ৪নং আয়াতে বলেছেন, “আমি মানুষকে সুন্দরতম আকৃতিতে সৃষ্টি করেছি।”মানুষকে সুন্দর গঠনে সৃষ্টি করা আল্লাহর অপার অনুগ্রহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি বিশেষ অনুগ্রহ। আল্লাহ শুধু মানুষকে সৃষ্টির সেরা বলেই শেষ করেননি, বরং আকৃতি ও কাজে তাকে সেরা হওয়ার যোগ্যতাও দান করেছেন। পৃথিবীর সকল সৃষ্ট জীবের মধ্যে মানুষের গড়নের অবকাঠামো অত্যন্ত চমৎকার ও শৈল্পিক। তাই তার এ অনুগ্রহের কৃতজ্ঞতা জানাতে মানুষকে আরো ইবাদতে ব্রতী হওয়া উচিত।
মাদানী সূরার বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর
মাদানী সূরা সমূহে আহলে কিতাব তথা ইহুদি ও খ্রিস্টানদের প্রতি ইসলামের আহ্বান জানানো হয়েছে। এতে আহলে কিতাবের পথ ভ্রষ্টতা ও তাদের কিতাব বিকৃতির কথা বর্ণনা করা হয়েছে। এ সূরা সমূহে নিফাক এর পরিচয় ও মুনাফিকদের ষড়যন্ত্রের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, জাতীয়, আন্তর্জাতিক শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক নীতিমালা বর্ণিত হয়েছে। পারস্পরিক লেনদেন উত্তরাধিকার আইন ব্যবসায় বাণিজ্য ক্রয় -বিক্রয়সহ যাবতীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিধান বর্ণিত হয়েছে।
‘মানুষের সকল কাজের ফলাফল নিয়তের উপর নির্ভরশীল’ -ব্যাখ্যা কর।
মানুষের সকল কাজ নিয়ত বা উদ্দেশ্যের সাথে সংশ্লিষ্ট। আল্লাহ তায়ালা পরকালে নিয়ত অনুযায়ী কাজের ফলাফল দিবেন। নেক নিয়তে কাজ করে ব্যর্থ হলেও মানুষ তার পুরস্কার পাবে। আর যদি মন্দ উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে তবে সে শাস্তি ভোগ করবে।
কোরআন তেলাওয়াত উত্তম ইবাদত ব্যাখ্যা কর?
কুরআন তেলাওয়াতের ফজিলত অত্যন্ত বেশি। এর প্রতিটি হরফ তেলাওয়াতে নেকি পাওয়া যায়। রাসূল (স.) বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর কিতাব থেকে একটি হরফ পাঠ করবে সে একটি নাকি লাভ করবে। আর এ নেকির পরিমাণ হল দশ গুণ। তাই কুরআন তেলাওয়াত কে উত্তম ইবাদত বলা হয়েছে।
হযরত ওসমান (র.)-কে কেন ‘জামিউল কুরআন’ বলা হয়?
হযরত ওসমান (র.)-এর খেলাফতকালে কুরআন তেলাওয়াতের ক্ষেত্রে মতানৈক্যের ফলে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। এ সমস্যার সমাধানে তিনি অন্য সাহাবীগণের পরামর্শ ক্রমে কুরআন সংকলনের জন্য চারজন সাহাবীর একটি বোর্ড গঠন করেন। যারা হযরত হাফসা (রা.) নিকট রক্ষিত কুরআনের মূল কপিটির সাথে মিলিয়ে কতকগুলো অনুলিপি তৈরি দ্বারা আল কুরআন কে বিকৃতি ও গরমিল থেকে রক্ষা করেন। এ মহান কাজটি ওসমান (রা.)এর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে হওয়ায় তাকে জামিউল কুরআন বা কুরআন একত্র কারি বলা হয়।
শানে নুযুল জানা প্রয়োজন কেন? ব্যাখ্যা কর।
শানে নুযুল হল সূরা বা আয়াত নাযিলের পটভূমি। শানে নুযুল জানার প্রয়োজনীয়তা অনেক। উল্লেখযোগ্য হল –
- ক) এর দ্বারা শরীয়তের বিধান প্রবর্তন রহস্য জানা যায়।
- খ) আয়াতের অর্থ, উদ্দেশ্য ও সঠিক মর্মার্থ অবগত হওয়া যায়।
“সিরাত অতিক্রম না করে কেউ জান্নাতে যেতে পারবেনা” উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
সিরাত অতিক্রম না করে কেউ জান্নাতে যেতে পারবেনা। উক্তিটি যথার্থ। ইসলামী শরীয়তের পরিভাষায় সিরাত হল জাহান্নামের উপর স্থাপিত একটি অন্ধকারপুল। এ পুল পার হয়ে নেক আমলকারি জান্নাতে প্রবেশ করবেন। সিরাত সম্পর্কে পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ বলেন এবং তোমাদের প্রত্যেকেই অতিক্রম করবে, এটা তোমার প্রতিপালকের অনিবার্য সিদ্ধান্ত ।
কৃপণতা কে ঘৃণা করা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
যে ব্যক্তি সম্পদ খরচ না করে জমা করে রাখে সে কৃপণ। কৃপণ ব্যক্তির সম্পদ কোন কাজে আসে না। এতে কোনরূপ কল্যাণ ও বরকত নেই। কৃপনতা নিন্দনীয় কাজ। কৃপণ ব্যক্তি সর্বাবস্থায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সব বিবেচনায় কৃপণতা কে ঘৃণা করা হয়।
খতমে নবুওয়াত বলতে কি বুঝায়?
খতমে নবুওয়াত আরবি শব্দ। এর অর্থ নবুয়তের সমাপ্তি। হযরত আদম (আ:) এর মাধ্যমে পৃথিবীতে নবুয়তের যে ধারার সূচনা হয়েছিল হযরত মুহাম্মদ (স.) মাধ্যমে তার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
কুরআন আরবি ভাষায় নাযিল হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।
মানবজাতির হিদাতের জন্য আল্লাহর নিকট থেকে অবতীর্ণ আসমানি কিতাব সমূহের মধ্যে কুরআন মজিদ সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থ। এটি আরবি ভাষায় নাযিল হয়। কারণ মহানবী (স.) এবং তার কওমের ভাষা ছিল আরবি। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তায়ালা বলেন আমি প্রত্যেক রাসুলকেই তার স্বজাতির ভাষাভাষী করে প্রেরণ করেছি,তাদের নিকট পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করার জন্য। (সূরা ইবরাহিম :৪)
মুসলিম জাতি ন্যায়নিষ্ঠ জাতি উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
মুসলিম জাতির অতীত ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, তারা জীবনে ন্যায়পরায়ন ছিলেন এবং পৃথিবীতে ন্যায়নীতি প্রতিষ্ঠা করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন ।
যালিম ও মাজলুম বলতে কি বুঝায়?
যালিম শব্দের অর্থ অত্যাচারী। যে ব্যক্তি কারো উপর অন্যায় আচরণ, নিপীড়ন করে কোন কিছু প্রদানের জন্য অন্যায় ভাবে চাপ প্রয়োগ করে, মহান আল্লাহর হুকুম লংঘন করে, মানুষের অধিকার কেড়ে নেয় তাকে যালিম বা অত্যাচারী বলে। আর যে ব্যক্তি যালিমের অন্যায় আচরণের শিকার হয় তাকে মাজলুম বা অত্যাচারিত বলে।